চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামে ৬ উপজেলায় ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম শুরু

(Last Updated On: মে ২০, ২০২২)

সীতাকুণ্ড, সন্দ্বীপ, কর্ণফুলী, আনোয়ারা, পটিয়া ও লোহাগাড়া উপজেলায় ছবিসহ ভোটার তালিকা হালনাগাদ কাজ শুরু হয়েছে শুক্রবার (২০ মে) থেকে। যা চলবে ৯ জুন পর্যন্ত।

১০ জুন থেকে শুরু হবে নিবন্ধন (ছবি তোলা) কার্যক্রম।  

তথ্য সংগ্রহকারীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে নতুন ভোটারদের তথ্য সংগ্রহ করছেন। এবার ২০০৭ সালের ১ জানুয়ারি বা তার আগে জন্মগ্রহণকারীদের তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। অর্থাৎ ১৬ বছর বয়সীদের তথ্যও নেওয়া হচ্ছে। তারা পরে বয়স ১৮ বছর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভোটার তালিকায় যুক্ত হবেন ২০২৪ ও ২০২৫ সালে।  

ইসি নিয়োজিত কর্মীরা তথ্য নেওয়ার পর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট কেন্দ্রে গিয়ে আঙুলের ছাপ, চোখের আইরিশ দিয়ে এবং ছবি তুলে নিবন্ধন কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে বলে জানান চট্টগ্রাম জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর হোসেন।

তিনি বলেন, ২০ মে থেকে ২০ নভেম্বর পর্যন্ত দুইধাপে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম চলবে। প্রথম ধাপে চট্টগ্রামের ছয়টি উপজেলায় হালনাগাদ কার্যক্রম শুক্রবার (২০ মে) শুরু হয়েছে। পরবর্তী ধাপে বাকি ৯টি উপজেলায় এ কার্যক্রম শুরু হবে। চট্টগ্রামে মোট ১৫ উপজেলা ও মহানগরের ভোটার তালিকা হালনাগাদের জন্য ২ হাজার ৯৬৬ জন তথ্য সংগ্রহকারী এবং ৬২১ জন সুপারভাইজার নিয়োজিত আছেন।

সীতাকুণ্ড উপজেলায় তথ্য সংগ্রহকারী ১৩০ জন, সুপারভাইজার ২৬ জন। কর্ণফুলী উপজেলায় তথ্য সংগ্রহকারী সংখ্যা ৫৬ জন এবং সুপারভাইজার ১২ জন। আনোয়ারা উপজেলায় তথ্য সংগ্রহকারী ১১০ জন এবং সুপারভাইজার ২৭ জন। লোহাগাড়া উপজেলায় তথ্য সংগ্রহকারী ১০৭ জন, সুপারভাইজার ১৮ জন। সন্দ্বীপে তথ্য সংগ্রহকারী ১৪৪ জন, সুপারভাইজার ২৮ জন। পটিয়া উপজেলায় তথ্য সংগ্রহকারী ১৬৪ জন, সুপারভাইজার ৩৩ জন।

চট্টগ্রামে দ্বিতীয় ধাপে চন্দনাইশ, বোয়ালখালী, রাউজান, রাঙ্গুনিয়া, মীরসরাই, হাটহাজারী, সাতকানিয়া, ফটিকছড়ি ও বাঁশখালী উপজেলায় হালনাগাদের কার্যক্রম শুরু হবে জুনে। শেষ হবে আগস্টে। দ্বিতীয় ধাপে চট্টগ্রাম মহানগরীতে ৪১ ওয়ার্ডে ভোটার তালিকা হালনাগাদের কার্যক্রম শুরু হবে ১ আগস্ট থেকে। হালনাগাদ শেষ হবে ১৮ অক্টোবর। ছবিসহ নিবন্ধনের কাজ চলবে ২০ নভেম্বর পর্যন্ত।

ভোটার হওয়ার জন্য আগ্রহীদের অনলাইন জন্ম নিবন্ধন ফটোকপি, পিতা-মাতার আইডি ফটোকপি, স্বামী-স্ত্রীর আইডি ফটোকপি, ভাই-বোনের আইডি ফটোকপি, শিক্ষা সনদের ফটোকপি, রক্তের গ্রুপ পরীক্ষার কপি, হোল্ডিং ট্যাক্স রসিদের ফটোকপি, জমির দলিল ফটোকপি এবং বিদ্যুৎ বিলের ফটোকপি প্রয়োজন হবে।

Hits: 61