জাতীয়

চারবারের বার ধরা পড়লেন নুরু

(Last Updated On: জানুয়ারি ৯, ২০২১)

অবশেষে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন ২৮ মামলার আসামি নুরে আলম ওরফে নুরু। তাঁকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে দুই দফা হামলার শিকার হয়েছেন বলে জানিয়েছেন পুলিশ সদস্যরা। গতকাল শুক্রবার রাতে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ থেকে এক সহযোগীসহ নুরুকে গ্রেপ্তার করে নগরের আকবর শাহ থানা ও গোয়েন্দা পুলিশের যৌথ দল।

ওই সহযোগীর নাম মো. কাউসার। পুলিশ বলছে, তাঁদের কাছ থেকে অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। নুরে আলমের বিরুদ্ধে দুর্গম পাহাড়ে আস্তানা গেড়ে মাদক, পাহাড় কাটা ও কাঠ পাচারের অভিযোগ রয়েছে।

পাহাড়ি এলাকায় হওয়ায় সেখানে কোনো গাড়ি যেতে পারে না। হেঁটে যেতে হয়। আর সেখানে মাদক ও অস্ত্রের মজুত গড়ে তোলেন নুরু। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা অভিযানে গেলে আগে থেকে খবর পেয়ে যান তিনি। তখনই পাহাড়ের ওপর থেকে ইটপাটকেল ছোড়া হয় অভিযানে অংশ নেওয়া সদস্যদের ওপর।

নগর গোয়েন্দা পুলিশের (পশ্চিম) পরিদর্শক মো. কামরুজ্জামান বলেন, নগরের আকবর শাহ ও খুলশী থানায় হত্যা, মাদক, পাহাড় কাটা, কাঠ পাচার ও বিক্রিসহ নানা অভিযোগে ২৮টি মামলা রয়েছে নুরুর বিরুদ্ধে। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে তাঁকে নোয়াখালী থেকে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে আকবর শাহ থানার পূর্ব ফিরোজ শাহ কলোনির নাছিয়া ঘোনা এলাকায় তাঁকে ধরতে গিয়ে হামলার শিকার হয় পুলিশ সদস্যরা।

পুলিশ সূত্র জানায়, নাছিয়া ঘোনা এলাকায় খাস জায়গায় পাহাড় কেটে আস্তানা গড়ে তোলেন নুরু। পাহাড়ি এলাকায় হওয়ায় সেখানে কোনো গাড়ি যেতে পারে না। হেঁটে যেতে হয়। আর সেখানে মাদক ও অস্ত্রের মজুত গড়ে তোলেন নুরু। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা অভিযানে গেলে আগে থেকে খবর পেয়ে যান তিনি। তখনই পাহাড়ের ওপর থেকে ইটপাটকেল ছোড়া হয় অভিযানে অংশ নেওয়া সদস্যদের ওপর।

গত ২৬ ডিসেম্বর নুরুকে ধরতে নাছিয়া ঘোনায় অভিযানে গেলে সেখানে পুলিশের ওপর হামলা করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে নুরুর এক সহযোগীকে গ্রেপ্তার করলেও পালিয়ে যান তিনি। এরপর ৩১ ডিসেম্বর ভোরে অভিযান চালিয়ে নুরুর ১২ সহযোগীকে গ্রেপ্তার করলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। সবশেষ ৪ জানুয়ারি তৃতীয় দফায় নাছিয়া ঘোনায় অভিযান চালিয়েও তাঁকে ধরতে পারেনি পুলিশ।


আকবর শাহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহির হোসেন বলেন, অস্ত্রভান্ডারসহ মাদক উদ্ধারে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নুরুকে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হবে।