চট্টগ্রাম

ল্যাপটপ-পাওয়ার ব্যাংকে ইয়াবা পাচার করতেন ‘মানবাধিকারকর্মী’

(Last Updated On: জানুয়ারি ২৪, ২০২২)

নিজেকে মানবাধিকারকর্মী হিসেবে পরিচয় দিতেন। সঙ্গে থাকতো পরিচয়পত্র ও ভিজিটিং কার্ড। এসবে তার পদবি লেখা ডিরেক্টর (পরিচালক)। সেই পরিচয়ের সুবাধে ইয়াবা ব্যবসা করতেন মোহাম্মদ নাসিবুর রহমান (৪৩)।

রবিবার (২৩ জানুয়ারি) রাতে র‌্যাবের একটি দল চট্টগ্রাম নগরের বাকলিয়া থানাধীন শাহ আমানত সেতু এলাকায় যাত্রীবাহী বাস থেকে তিন হাজার ৬৩০ পিস ইয়াবাসহ তাকে আটক করে। এসব ইয়াবার মূল্য ১০ লাখ ৮৯ হাজার টাকা বলে জানায় র‌্যাব। আটক নাসিবুর রহমান ফরিদপুর জেলার গোয়াল চামুর এলাকার মৃত শফিউদ্দিনের ছেলে।

র‌্যাব-৭ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) মো. নুরুল আবছার বলেন, ‘নানা কৌশলে ইয়াবা বহন করতেন নাসিবুর। সঙ্গে থাকা ল্যাপটপ, চার্জার, ট্রলিব্যাগ ও পাওয়ার ব্যাংকের মাধ্যমে ইয়াবা বহন করতেন। র‌্যাবের কাছে খবর ছিল, ইয়াবাসহ নাসিবুর কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রাম নগরের দিকে একটি বাসে করে আসছেন। রবিবার রাত ৯টায় নগরের বাকলিয়া থানাধীন শাহ আমানত সেতু একটি বাস থামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশির এক পর্যায়ে নাসিবুরের ট্রলিব্যাগের ভেতরে রাখা ল্যাপটপ, ল্যাপটপের চার্জার ও পাওয়ার ব্যাংকের ভেতরে বিশেষ কৌশলে লুকানো অবস্থায় তিন হাজার ৬৩০ পিস ইয়াবা পাওয়া যায়।’

তিনি বলেন, ‘অনেক আগে থেকে নাসিবুর মানবাধিকার কর্মী পরিচয়ের আড়ালে বিশেষ কৌশলে কক্সবাজার থেকে ইয়াবা বহন করে আসছিলেন। এসব ইয়াবা পরে চট্টগ্রাম, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পাচার করতেন। তাকে বাকলিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।’

বাকলিয়া থানার ওসি রাশেদুল হক বলেন, ‘নাসিবুর রহমান নামে এক আসামিকে সোমবার বিকাল ৩টায় র‌্যাব থানায় হস্তান্তর করেছে। তার বিরুদ্ধে মামলার প্রক্রিয়া চলছে। তার কাছ থেকে তিন হাজার ৬৩০ পিস ইয়াবা পাওয়া গেছে।’

Hits: 14