জাতীয়

বাণিজ্যমেলার আয়োজন নিয়ে যা বললেন বাণিজ্যমন্ত্রী

(Last Updated On: ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২১)

‘ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার জন্য পূর্বাচলে একটি স্থায়ী ঠিকানা হলেও, মেলা কবে হবে সেটা নির্ভর করছে করোনা পরিস্থিতির ওপর। তাই করোনা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

রোববার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে চিনা অনুদান সহায়তায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো কর্তৃক বাস্তবায়িত ‘চায়না-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডসিপ এক্সিবিশন সেন্টার’র হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, এ বছর মেলা করার জন্য আমরা মানসিকভাবে একটা প্রস্তুতি নিয়েছিলাম। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর সঙ্গে আলোচনা করে সম্ভাব্য তারিখ ঠিক করা হয়েছিল। এই ব্যাপারে আমরা একটা প্রাথমিক সম্মতিও পেয়েছিলাম। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির কারণে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, এটাকে স্লো করার জন্য। পরিস্থিতি উন্নয়ন হলে এটা আমরা করবো। ফলে মেলা আয়োজনের পুরো বিষয়টি এখন নির্ভর করছে করোনা পরিস্থিতির উন্নয়নের ওপর।

টিপু মুনশি বলেন, আশা করি, এই বছর আমরা একটা সুন্দর সময় এ মেলাটি করতে পারবো। এবার মেলা নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকলে, আগামী জানুয়ারি থেকে মেলা আয়োজন করা হবে। মেলা আয়োজনে পয়লা জানুয়ারি যে ধারাবাহিকতা সেটা আমরা ধরে রাখবো। যেভাবেই হোক এক মাসের নিচে এ মেলা আয়োজন করা সম্ভব না। যেহেতু এখানে দেশি-বিদেশি কোম্পানিগুলো অংশ নেয় সেই সাথে রপ্তানি বাণিজ্যও জড়িত রয়েছে। তাই এই মেলা প্রয়োজন অনুযায়ী সময় বৃদ্ধি করা হতে পারে।

তিনি বলেন, এখন থেকে বাণিজ্য ও রপ্তানি সংক্রান্ত সব মেলা পূর্বাচলে নির্মিত চায়না বাংলাদেশ ফ্রেন্ডসিপ এক্সিবিশন সেন্টারে আয়োজনে সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে। সেটার জন্যই জায়গাটি ঠিক করা হয়েছে। আগামীতে আমাদের এক্সপোর্ট রিলেটেড মেলা ওখানেই হবে। ওই মেলার যে প্রেমেসিস, সেখানে সারা বছর ধরে বিভিন্ন রকমের প্রদর্শনী, অনুষ্ঠান করা হবে। এছাড়া চিন সেখানে তাদের নিজেদেন তৈরি পণ্য নিয়ে বছরে দুইটি মেলা আয়োজনের আগ্রহ প্রকাশ করেছে।