জাতীয়

বিশ্ব দৃষ্টি দিবস আজ


Warning: strlen() expects parameter 1 to be string, array given in /home/khalinews/public_html/wp-includes/functions.php on line 262
(Last Updated On: )

এই পৃথিবীর প্রায় প্রত্যেকেই তাদের জীবদ্দশায় চোখের স্বাস্থ্যের সমস্যা অনুভব করবে এবং বিশ্বব্যাপী এক বিলিয়নেরও বেশি মানুষ চোখের যত্ন পরিষেবা পায় না। চোখের পরিষেবা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির সাথে সাথে অন্ধত্ব এবং দৃষ্টি প্রতিবন্ধকতার উপর বিশ্বব্যাপী মনোযোগ আকর্ষণ করার লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য নিয়ে প্রতিবছর অক্টোবর মাসের দ্বিতীয় বৃহস্পতিবার ‘বিশ্ব দৃষ্টি দিবস’ পালন করা হয়। এই বিশেষ দিবসকে কেন্দ্র করে বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক চক্ষু স্বাস্থ্য সেবা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান এবং সংস্থা সমূহ বিভিন্ন আয়োজন করে থাকে। এই দিনটি চোখের স্বাস্থ্য ক্যালেন্ডারে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠান হিসাবে দেখা হয়। বিশ্বব্যাপী চক্ষু স্বাস্থ্য সেবা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও সংস্থাগুলোর মধ্যে পরস্পর যোগাযোগ এবং সাহায্য বাড়ানোর জন্য যেন একজন মানুষও চক্ষু সেবা থেকে বঞ্চিত না থাকেন। এই বিশেষ দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য হলো ‘লাভ ইউরস আইজ’ বাংলায়, ‘আপনার চোখকে ভালোবাসুন’। দেশ এবং বৈশ্বিক স্তরে চোখের স্বাস্থ্য সেবা স্বল্পতা এবং সীমাবদ্ধতার বৃহৎ প্রতিচ্ছবিটি মোকাবেলা করার জন্য আমাদের নিজের চোখের স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন হওয়া দরকার। তাই ২০২১ এর জন্য আমাদের থিম ‘লাভ ইউরস আইজ’। এই থিমের অর্থই হল- আপনার নিজের চোখের স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন হওয়া এবং অবশ্যই যদি আপনি সক্ষম হন তবে দৃষ্টি পরীক্ষা করুন বা অন্যদেরও একই কাজ করার পরামর্শ দিন ও উৎসাহিত করুণ। আমাদের বর্তমান ও ভবিষ্যতের জন্য খুব জরুরি একটা প্রতিবেদন হলো, বিশ্বজুড়ে ৯০ মিলিয়ন শিশুর দৃষ্টিশক্তি হ্রাস পায়। কারণ তাদের চোখের যত্নের পরিষেবাগুলি সুযোগ-সুবিধা নেই। ১৬৫ মিলিয়ন শিশুদের চশমা প্রয়োজন। বাচ্চাদের কাছে পৌঁছানোর এবং তাদের চোখের স্বাস্থ্য সম্পর্কে কথা বলার সেরা জায়গা কোনটি? স্কুল, অবশ্যই! এই বিশ্ব দৃষ্টি দিবসে আমাদের শিক্ষাক্ষেত্রের জন্য একটি সচেতনতা বৃদ্ধির সুযোগ রয়েছে। বাচ্চাদের ও শিক্ষকদের সচেতন করে তোলা। তাদের জানানো শিশুদের চোখের স্বাস্থ্যের গুরুত্ব এবং চোখের পরীক্ষা নিয়মিত করা কেন গুরুত্বপূর্ণ। আশা করি এই দিবসটি আমাদেরকে সচেতন করবে এবং সর্বোপরি বিশ্বব্যাপী এবারের প্রতিপাদ্যের বিষয় ‘আপনার চোখকে ভালোবাসুন’ আক্ষরিক অর্থেই মূল্যায়নের মাধ্যমে সকলকে সচেতন করবে।

লেখক : পরিচালক, ইনস্টিটিউট অব কমিউনিটি অফথালমোলজি, পাহাড়তলী চক্ষু হাসপাতাল