জাতীয়

‘শস্যচিত্রে বঙ্গবন্ধু’: ১০০ বিঘা জমির ধানের কী হবে?

(Last Updated On: মার্চ ২১, ২০২১)

গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে স্থান পাওয়া বগুড়ায় ‘শস্যচিত্রে বঙ্গবন্ধু’র ১০০ বিঘা জমির ধানের কী হবে সেই প্রশ্নের জবাব মিলেছে। আয়োজকরা বলছেন, এই ধান যাবে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে। একইসঙ্গে এর কিছু পরিমাণ ধান স্থানীয় কৃষক এবং এই প্রজেক্টের সঙ্গে জড়িত শ্রমিকরা পাবেন।

‘শস্যচিত্রে বঙ্গবন্ধু’ জাতীয় পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা এবং আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এ এফ এম বাহাউদ্দিন নাছিম শনিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেন । তিনি বলেন, ‘ধান পাকলে উৎপাদিত ফসল যাবে প্রধানমন্ত্রী ত্রাণ তহবিলে। অনেক আলোচনা করে আমরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় এই নেতা বলেন, ‘দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছে। আগামী ৫০ সালের মধ্যে দেশের জনসংখ্যা তিনগুণ বেড়ে যাবে। যেহেতু ধানই আমাদের প্রধান ফসল সুতরাং ধানের এই উৎপাদন ধরে রাখার জন্য আমরা কৃষকদের ধান চাষে অনুপ্রাণিত করতে চাই। এই শিল্পকর্মটি গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে স্থান করে নেওয়ার পাশাপাশি সারাদেশের কৃষকদের উজ্জীবিত করেছে।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের লক্ষে বগুড়ার শেরপুর উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বালেন্দা গ্রামের ১০০ বিঘা জমিতে শস্য দিয়ে তৈরি চিত্রটি শস্যক্ষেতে বিশ্বের সর্ববৃহৎ শস্যচিত্র হিসেবে স্থান পেয়েছে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে। এবছর ১৬ মার্চ গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস কর্তৃপক্ষ তাদের অফিসিয়াল পেজে সেটা উল্লেখ করেছে। এই রেকর্ডের কৃতিত্ব দেওয়া হয় এ এফ এম বাহাউদ্দিন নাছিম এবং কে এস এম মোস্তাফিজুর রহমানকে। এই চিত্রের আয়োজক হিসেবে দেখানো হয়েছে ন্যাশনাল অ্যাগ্রিকেয়ার আমদানি এবং রফতানি লিমিটেড প্রতিষ্ঠানকে।