প্রধান পাতা

৩০ দিনের মধ্যে এমপি হাজী সেলিমকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ

(Last Updated On: মার্চ ৯, ২০২১)

আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য (এমপি) হাজী মোহাম্মদ সেলিম বিরুদ্ধে দুদকের করা মামলায় দুটি ধারায় বিচারিক আদালতে ১০ বছর ও ৩ বছরের কারাদণ্ড হয়েছিল। এর মধ্যে একটি ধারায় বিচারিক আদালতের দেওয়া ১০ বছরের কারাদণ্ড বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট। অপর ধারায় ৩ বছরের সাজা থেকে তাকে খালাস দেওয়া হয়েছে। 

আজ মঙ্গলবার বিচারপতি মঈনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি এ কে এম জহিরুল হকের সমন্বয়ে গঠিত ভার্চ্যুয়াল হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

হাইকোর্টের রায়ের অনুলিপি পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে এমপি হাজী সেলিমকে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্যথায়, এ মামলায় জামিন বাতিল করে তাকে গ্রেপ্তার করা হবে বলেও আদেশ দিয়েছেন আদালত।

২০০৭ সালের ২৪ অক্টোবর হাজী সেলিমের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে সম্পদ অর্জনের অভিযোগে লালবাগ থানায় মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মামলার দুটি ধারায় ২০০৮ সালের ২৭ এপ্রিল তাকে ১০ বছর ও ৩ বছরের কারাদণ্ড দেন বিচারিক আদালত। কারাদণ্ডের পাশাপাশি তাকে ২০ লাখ টাকা জরিমানাও করা হয়।

২০০৯ সালের ২৫ অক্টোবর এ রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করেন হাজী সেলিম। ২০১১ সালের ২ জানুয়ারি হাইকোর্ট তার সাজা বাতিল করেন। হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে দুদক।

ওই আপিলের শুনানি শেষে ২০১৫ সালের ১২ জানুয়ারি হাইকোর্টের রায় বাতিল করেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। একই সঙ্গে হাইকোর্টে ওই আপিল (হাজী সেলিমের) পুনরায় শুনানি করতে বলা হয়। এরপর প্রায় পাঁচ বছর ওই আপিলের শুনানি হয়নি।

সম্প্রতি আপিলটি শুনানির উদ্যোগ নেয় দুদক। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১১ নভেম্বর হাইকোর্ট বিচারিক আদালতে থাকা মামলার যাবতীয় নথি (এলসিআর) তলব করেন। এরপর কয়েক দিবস শুনানি শেষে ২৪ ফেব্রুয়ারি আপিলটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়। দুর্নীতির এ মামলায় এমপি হাজী সেলিম এখন জামিনে আছেন।