জাতীয়

ভারত-সিঙ্গাপুর থেকে কেনা হচ্ছে ৮৬৭ কোটি টাকার চাল


Warning: strlen() expects parameter 1 to be string, array given in /home/khalinews/public_html/wp-includes/functions.php on line 262
(Last Updated On: )

ভারত ও সিঙ্গাপুর থেকে ৮৬৭ কোটি ২ লাখ ৯১ হাজার ২শ টাকার আড়াই লাখ মেট্রিক টন সিদ্ধ ও আতপ চাল কেনার অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।

বুধবার (৬ জানুয়ারি) দুপুরে অনলাইনে সিঙ্গাপুরে অবস্থানরত অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ সংক্রান্ত প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়।

বৈঠক শেষে ভার্চ্যুয়াল সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব আবু সালেহ মোস্তফা কামাল সাংবাদিকদের জানান, আন্তর্জাতিক কোটেশনের মাধ্যমে ২০২০-২১ অর্থবছরে ৫০ হাজার মেট্রিকটন নন-বাসমতি সিদ্ধ চাল কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ভারতে এম/এস ইটিসি অ্যাগ্রো প্রোসেসিং প্রাইভেট লিমিটেডের কাছে থেকে ১৭১ কোটি ৯৭ লাখ ৪৪ হাজার টাকায় এ চাল কেনা হবে।

এছাড়াও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন খাদ্য অধিদপ্তর আন্তর্জাতিক কোটেশনের মাধ্যমে ২০২০-২১ অর্থবছরে ৫০ হাজার মেট্রিক টন আতপ চাল কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সিঙ্গাপুরের এম/এস ইটিসি অ্যাগ্রোক্রপ ইন্টারন্যাশনাল পিটিই লিমিটেডের কাছ থেকে এ চাল কেনা হবে ১৭৩ কোটি ১১ লাখ ৭ হাজার ২শ টাকায়।

এছাড়া খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন খাদ্য অধিদপ্তর ১ লাখ মেট্রিক টন নন-বাসমতি সিদ্ধ চাল ও ৫০ হাজার মেট্রিক টন আতপ চাল জি টু জি ভিত্তিতে ন্যাশনাল এগ্রিকালচার কো-অপারেটিভ মার্কেটিং অব ইন্ডিয়া লিমিটেডের কাছ থেকে ৫২১ কোটি ৯৪ লাখ ৪০ হাজার টাকায় কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

এর আগে অর্থনৈতিক বিষয় সংন্ত্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে দু’টি প্রস্তাবের নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে জানিয়ে অতিরিক্ত সচিব আবু সালেহ মোস্তফা কামাল বলেন, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের আওতায় খাদ্য অধিদপ্তর জি টু জি ভিত্তিতে ভারতের ন্যাশনাল এগ্রিকালচার কো-অপারেটিভ মার্কেটিং ফেডারেশন অব ইন্ডিয়া লিমিটেড (এনএএফইডি) থেকে ১ লাখ মেট্রিক টন নন-বাসমতি সিদ্ধ চাল ও ৫০ হাজার মেট্রিক টন আতপ চাল জরুরি ভিত্তিতে কেনার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে কমিটি।

এছাড়াও স্বাস্থ্যশিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের অধীন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে কোভিড-১৯ রোগীদের সেবা দিতে জরুরি ভিত্তিতে যন্ত্রপাতি ওষুধ, অন্য জিনিসপত্র ও সেবা ১০ কোটি ২৫ লাখ ৬৭ হাজার ৪৫০ টাকায় সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে (ডিপিএম) কেনার ভূতাপেক্ষ অনুমোদন দেওয়া হয়।